বাংলাদেশের সেরা ৩ ওয়েবসাইট হোস্টিং কোম্পানী

Raisul Mushfeq Siddiki
অনলাইন ব্যাবসা অথবা ব্যাক্তিগত ব্যাবহারের জন্য ওয়েবসাইট এর হোস্টিং নির্বাচন করা একটি অতি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। ওয়েবসাইট এর হোস্টিং সার্ভিস নেওয়ার পর সেই কোম্পানি থেকে কেমন সাপোর্ট পাওয়া যায়, তাদের সার্ভার এর লোড কেমন, পেমেন্ট মেথড আমাদের জন্য সুবিধাজনক কি না, এ সকল বিষয় খেয়াল রেখে বাংলাদেশের সেরা ৩ টি ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির একটি শর্টলিস্ট তৈরি করলাম। ২০১২ সাল থেকে অনলাইনে জগতে থাকায় বাংলাদেশের অনেক হোস্টিং কোম্পানির সার্ভিস আমি নিয়েছি। তার মধ্যে বাছাই করে এই ৩ টি প্রতিষ্ঠানের লিস্ট করলাম। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস ভালো বলেই আমি এখনও আমার সকল ওয়েবসাইট হোস্টিং এদের থেকেই নিই। অনেকের ধারনা রয়েছে বাংলাদেশি ওয়েবসাইট হোস্টিং কোম্পানির সার্ভিস ভালো না। কিন্তু এই কোম্পানি গুলোর যে কোনো একটির সার্ভিস ব্যাবহার করেই আপনাদের সেই ভূল ধারনা চলে যাবে। চলুন সেই কোম্পানিগুলোর বিষয়ে কিছু জানা যাক:

হোস্ট মাইট

২০১০ সাল থেকে এদের যাত্রা শুরু হয় এবং বর্তমানে এরা ওয়েব হোস্টিং, ভিপিএস ডেডিকেটেড সার্ভার সহ বিভিন্ন সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। ফোনে এবং সাপোর্ট টিকেট এর মাধ্যমে এদের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পাওয়া সম্ভব।

সুবিধা:

  • নির্ভরযোগ্য সার্ভার
  • প্রফেশনাল সাপোর্ট

অসুবিধা:

  • সাপোর্ট কিছুটা ধীরগতির
  • লাইভ চ্যাট সুবিধা নেই
এই লিংক এ ক্লিক করে এদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

এক্সোন হোস্ট


২০০৯ সাল থেকে এদের যাত্রা শুরু এবং আমাদের এই লিস্টে থাকা সবচেয়ে পুরোনো কোম্পানি এটি। এরাও হোস্টমাইট এর মতোই বিভিন্ন সার্ভিস দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি হিসেবে এদের গ্রাহক সংখ্যা অনেক বেশি তবে সার্ভিস এর দামও তুলনামূলক ভাবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশি। তবে সার্ভিস অবশ্যই ভালো।

সুবিধা: 

  • প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি
  • নির্ভরযোগ্য সার্ভার

অসুবিধা

  • সার্ভিস এর দাম একটু বেশি
এই লিংক এ ক্লিক করে এদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
আমার এই তালিকায় ৩ নম্বরে আছে আইটি নাট হোস্টিং। এটি ২০১৪ সাল থেকে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু থেকেই এই কোম্পানির মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের কাছে সর্বোাচ্চ সেবা পৌছে দেওয়া। আমি নিজেও বর্তমানে এই কোম্পানির সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছি। তাই নিশ্চিতভাবে বলতে পারি ডোমেইন ও হোস্টিং বিষয়ক যে কোনো সমস্যায় এর সাপোর্ট টিমকে সবসময় আপনার পাশেই পাবেন। আর ৩০ দিনের সার্ভিস মানি ব্যাক গ্যারান্টি রয়েছে এখানে তাই এদের সার্ভিস যদি আপনার ভালো না লাগে তাহলে ৩০ দিনের ভেতর আপনি আপনার টাকা ফেরত নিতে পারবেন।

সুবিধা

  • লাইভ চ্যাট, ফোন ও সাপোর্ট টিকেট এর মাধ্যমে তাৎক্ষনিক সমস্যার সমাধান
  • নির্ভরযোগ্য সার্ভার
  • সাশ্রয়ী দাম
  • প্রফেশনাল সাপোর্ট

অসুবিধা

  • নতুন প্রতিষ্ঠান
  • হোস্টিং ও ডোমেইন সার্ভিস ব্যাতিত অন্য কোনো সার্ভিস যেমন: ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, মার্কেটিং ইত্যাদি নেই।
এই লিংক এ ক্লিক করে এদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

এদের মধ্যে থেকে যে কোনো একটিকে আপনি আপনার ওয়েবসাইট হোস্টিং এর জন্য বেছে নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।

জীবনকে প্রসারিত করা

Raisul Mushfeq Siddiki
জীবনের ক্ষেত্রে আমরা দুইটি বিপরীত ধরনের জীবন দর্শনের সন্ধান পাই: 
  • যেমন আছি তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা অথবা 
  • হাল ছেড়ে দেওয়া।
এই দুই জীবন পদ্ধতির ফলাফল আমরা সবাই বুঝতে পারি।
এই দুয়ের মাঝামাঝিই আছে নিজেকে প্রসারিত করার ৩য় রাস্তাটি যা আমরা বেশিভাগই এড়িয়ে চলি।
নিজেকে প্রসারিত করার মাধ্যমেই মানুষের বিকাশ ঘটে। আমাদের হাতের নাগাল-টাকে আরেকটু প্রসারিত করতে হবে। নিজেকে আরও প্রানবন্ত বিস্তৃত ও শক্তিশালি করে তুলতে হবে। এতে  একটু ব্যাথা পেতেই হবে, হয়তোবা জীবনেও কোথাও কোনো ক্ষত থেকে যাবে কিন্তু তা ও হবে আমাদের ভালোর জন্যই।
এভাবে আঘাত পাওয়ার পরই আমরা আরও দুরে প্রসারিত হওয়ার সুযোগ ও সাহস পাই, কারন যে কোনো পথে নামলে পথই আমাদের পথ দেখায়।
তাই আপনি যদি জীবনের কোনো এক পর্যায়ে ভেঙে পড়বেন কি না তা নিয়ে ভয় করেন তাহলে যেমন আছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা চলবে না। জীবন মানে থেমে থাকা নয়। যদি আপনার মনে মুখ থুবড়ে পড়ার ভয় বিন্দু মাত্রও থাকে তাহলে নিজেকে পুরোপুরি মেলে ধরায় মনোযোগ দিন।

অ্যাডোব ফটোশপে দ্রুত কাজ করার জন্য শর্টকাট কি এর তালিকা

Raisul Mushfeq Siddiki
Here are the shortcut keys to work fast on any version of Adobe Photoshop


Brush Tool (B)
Select All (Ctrl + A)
Crop Tool (C)
Copy (Ctrl + C)
Set Colors to Default (D)
Deselect Selection (Ctrl +D)
Eraser Tool (E)
Group Layers (Ctrl + G)
Full Screen (F)
Duplicate Layers (Ctrl +J)
Paint Bucket Tool (G)
New Document (Ctrl + N)
Eyedropper Tool (I)
Show/Hide Rulers (Ctrl + R)
Lasso Tool (L)
Save Document (Ctrl + S)
Rotate View Tool (R)
Free Transform (Ctrl + T)
Type Tool (T)
Paste (Ctrl + V)
Move Tool (V)
Close Document (Ctrl + W)
Magic Wand Tool (W)
Cut (Ctrl + X)
Swap Foreground & Background Color (X)
Undo Multiple Stapes (Ctrl + Alt + Z)
Zoom Tool (Z)
Undo (Ctrl + Z)
Pen Tool (P)
Zoom to Fit Document (Ctrl + 0)
Rectangular Marquee Tool (M)
New Layer (Ctrl + Shift + N)
Patch Tool (J)
Invert Selection (Ctrl + Shift + I)
Clone Stamp Tool (S)
Image Size (Ctrl + Alt+ I)





















পিডিএফ (PDF) ফরম্যাটে ওপরের তালিকাটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন নিচের লিংটি থেকে:

কিভাবে সাইকেলের চেইন পরিষ্কার করবো?

Raisul Mushfeq Siddiki

সাইকেল চেইন
সাইকেলের চেইনে আটকে থাকা ধুলোবালি, নুড়িপাথর ইত্যাদি দুর করতে বিভিন্ন সময় আমাদের বিভিন্ন ধরনের ডিগ্রিজার অথবা লুব অয়েল ব্যাবহারের প্রয়োজন হতে পারে। তাই আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম কিভাবে সাইকেলের চেইন পরিষ্কার করবেন, ভালো ডিগ্রিজার এবং লুব কোনটি এবং কিভাবে সেগুলো ব্যাবহার করবেন। তবে বলে রাখা ভালো সাইকেল সম্পর্কিত আমার এই লেখাটির ক্রেডিট পুরোপুরি বিডিসাইক্লিস্টস গ্রুপের। আসুন তাহলে ডিগ্রিজার ও লুব ওয়েল সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক:
ডিগ্রিজার: বাইসাইকেলের চেইনে আটকে থাকা ধুলোবালি, নুড়িপাথর ও অন্যান্য আঠালো পদার্থ দুর করতে ডিগ্রিজার সাহায্য করে থাকে। বাইক চেইন ডিগ্রিজার, কেরোসিন ও WD-40 ডিগ্রিজার হিসেবে ব্যাবহার করা যায়।
লুব অয়েল: চেইন, চেইনরিং, ক্যাসেট এর ক্ষয় রোধ করতে, চেইন থেকে পানি ও ধুলোবালি দুর করতে, চেইন ও চেইনের গিয়ারকে সবল ও মজবুত করে তার কার্যকরিতা বৃদ্ধি করতে লুব ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সাইকেল লুব ওয়েল ও সেলাই মেশিনের তেল লুব অয়েল হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন।

 কিভাবে ডিগ্রিজার ও লুব অয়েল ব্যাবহার করবো?

 ১. একটি স্ক্রাবিং ব্রাশ বা অন্য কোনো ব্রাশ ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে ভিজিয়ে পুরো চেনটিকে ব্রাশ করে পরিষ্কার করুন।
২. পুরো চেইনে ভালোভাবে আপনার পছন্দের ডিগ্রিজার স্প্রে করুন। খেয়াল রাখুন যেন চেইনের কোনো অংশ বাদ না যায়।
৩. এবার চেইনটি পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।
৪. সাইকেলের ক্র্যাংক পেছনদিকে ঘোরানো অবস্থায় একটি ড্রপার দিয়ে চেইনের লিংকগুলোতে লুব অয়েল দিন।
৫. একটি তোয়ালে দিয়ে চেইনের অতিরিক্ত লুব অয়েলগুলো মুছে ফেলুন।

মাত্র একটি অ্যাপ আনইন্সটল করে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ব্যাটারির আয়ু ২০% বৃদ্ধি করুন

Raisul Mushfeq Siddiki

আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটিতে থাকা শুধুমাত্র ফেসবুক অ্যাপটি আনইন্সটল করে আপনি আপনার ফেনের চার্জের পরিমান ২০% পর্যন্ত সাশ্রয় করতে পারেন। সম্প্রতি সারা বিশ্বের অসংখ্য ব্র্যান্ডের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ফেসবুক অ্যাপের প্রভাব পর্যবেক্ষন করে দেখা যায় ফেসবুক অ্যাপ রিমুভ করার ফলে সকল মোবাইলের চার্জ প্রায় ২০% পর্যন্ত বেশি স্থায়ী হয়।
আপনাদের অনেকের মোবাইলেই সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত অ্যাপসগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ফেসবুক তাই অনেকেই আমার এই কথাটি মেনে নিলেও অ্যাপসটি রিমুভ করতে দ্বিধাবোধ করবেন। কিন্তু আমি নিশ্চিত আপনি এইটা জেনে খুশি হবেন যে ফেসবুক অ্যাপটি আপনার মোবাইলের চার্জের শত্রু হলেও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার অ্যাপ কিন্তু মোটেই তেমন চার্জ নষ্ট করে না। তাই ফেসবুক অ্যাপটি রিমুভ করেও আপনি অনায়াসেই সবার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ রেখে যেতে পারেন। এছারা যদি টাইমলাইন ব্যাবহার করতেই চান সে ক্ষেত্রে ক্রোম ব্রাউজার ব্যাবহার করে ফেসবুকের সকল সুবিধা পেতে পারেন ব্যাটারির ওপর কোনো চাপ ছাড়াই! আর একান্ত প্রয়োজন হলে ফেসবুক লাইট নামক ফেসবুকের ছোট সাইজের অ্যাপটি ব্যাবহার করতে পারেন যদিও তার কোনো প্রয়োজন নেই।
তাই যারা সবসময় এন্ড্রয়েড ফোনে বেশি চার্জ থাকে না বলে আফসোস করেন তারা ফেসবুক অ্যাপ এবং আরও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো আপনার ফোন থেকে আনইন্সটল করে তার ফলাফল নিজেই লক্ষ করুন!

কার্টেসি: মাইসিস ইন্সটিটিউট