ইতিহাস বিষয়ে প্রয়োজনীয় টিপস্

Unknown

১.      ইতিহাস বিষয়ে ভালো রেজাল্টের জন্যে তোমাকে একটু কৌশলী হতে হবে।

২.      পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক অংশে পূর্ণনম্বর প্রাপ্তি A+ পাওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলে। আর নৈর্ব্যক্তিক অংশে সবোর্চ্চ নম্বর পেতে হলে পাঠ্য বই অবশ্যই আগাগোড়া পড়তে হবে। যে তথ্যগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে তা মার্কার কলম দিয়ে দাগিয়ে রাখবে। এতে পরীক্ষার আগে তোমার revision দিতে সুবিধা হবে।

৩.      রচনামূলক উত্তরের ক্ষেত্রে উত্তর প্রাসঙ্গিক (to the point) ও নির্ভুল হতে হবে। উত্তর লেখার সময় point-এর ওপর গুরুত্ব দিবে। সব point-গুলো সহ উত্তরটি হতে হবে প্রশ্নের মান অনুসারে। ভূমিকা/প্রারম্ভিক এবং উপসংহার/মন্তব্য পরীক্ষার্থীর নিজস্ব হওয়া বাঞ্ছনীয়।

৪.      উত্তরের ভাষা হতে হবে সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল। অবান্তর এবং অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিতে হবে। প্রশ্নোত্তরে বিভিন্ন লেখক ও মনীষীদের উদ্ধৃতি ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে উদ্ধৃতিটি প্রাসঙ্গিক এবং নির্ভুল কি না। উদ্ধৃতি লেখার ক্ষেত্রে বাংলা বা ইংরেজি যে কোনো একটি ভাষায লিখলেই চলবে।

৫.      ইতিহাসের ঘটনা বর্ণনায় গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো এবং নাম নির্ভুলভাবে লিখতে হবে এবং ঘটনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। উত্তরকে আরও যুক্তিযুক্ত ও মানসম্পন্ন করতে ঐতিহাসিকদের উদ্ধৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে। পরীক্ষার খাতায় বানানের দিকে কড়া নজর রাখতে হবে। ভুল বানান মানেই পরীক্ষকের বিরাগভাজন হওয়া।

৬.      পরীক্ষায় যতগুলো প্রশ্নের উত্তর করতে বলা হয়, মানবণ্টন ও নির্ধারিত সময়-এর দিকে খেয়াল রেখে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। তবে ভুল উত্তর দেওয়ার চেয়ে না দেওয়াই ভালো।

About the Author

Unknown / Author & Editor

I am currently a student. Living in Bangladesh

0 টি মন্তব্য:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন